Type Here to Get Search Results !

ঈদযাত্রা: কমিউটার ট্রেনের টিকিট পেতে দীর্ঘ লাইন

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল ফিতর। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে গত ১৩ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে ট্রেনযোগে ঈদযাত্রা। আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট আগেই অনলাইনে শতভাগ বিক্রি করা হয়েছে। তবে কমিউটার ট্রেনের টিকিট আগে বিক্রি না হলেও যাত্রার দুই ঘণ্টা আগে থেকেই শুরু হয় বিক্রি। এবার ঢাকা থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৮টি কমিউটার ট্রেন দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত যাতায়াত করছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে টিকিট পেতে কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের সামনে শতশত মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কাউন্টার থেকে টিকিটপ্রত্যাশী মানুষের লাইন গিয়ে ঠেকেছে পার্কিং পর্যন্ত। আর আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা শুরুর ২ ঘণ্টা আগে ট্রেনের মোট আসনের ২৫ শতাংশ টিকিট স্ট্যান্ডিং (আসনবিহীন) হিসেবে বিক্রয় করা হচ্ছে। এসব টিকিটের জন্য আন্তঃনগর ট্রেনের কাউন্টারেও মানুষের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা বলেন, এই ট্রেনে অন্যান্য সময় একটি টিকিট কিনলে একটি আসন পাওয়া যেতো। তবে ঈদের সময়ে একটি আসন পেতে কমপক্ষে তিনটি টিকিট কিনতে হয়। যার একটি আসন বাকি দুইটি টিকিট স্ট্যান্ডিং। কমিউটার ট্রেন সংশ্লিষ্টরা জানান, আসনে তিনগুণ যাত্রী আসায় একটি আসনের বিপরীতে একটা টিকিট কিনতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অসুস্থ ও বৃদ্ধ হলে তাদের জন্য আসন দেওয়ার চেষ্টা করে থাকি।

তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রী শফিউলের সঙ্গে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাবেন। তার অভিযোগ একসঙ্গে না কিনলে সিটসহ টিকিট দেয় না। আবার আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে টিকিট পাওয়া যায়নি তাই এটিই আমাদের শেষ ভরসা।

শফিউল বলেন, তিতাস কমিউটার ট্রেনে যাত্রীবোঝাই করে চলাচল করে। এ ট্রেনের টিকিটের সীমাবদ্ধতা নেই। ট্রেনের ভেতরে জায়গা থাকা সাপেক্ষে যতক্ষণ পারে টিকিট বিক্রি করে। ট্রেনের ভেতর জায়গা আছে কি নেই সেদিকে লক্ষ্য নেই। আর আমাদের যেতে হবে, ঈদের সময়, নিরুপায় হয়ে উঠি।

চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের যাত্রী জাহাঙ্গীর বলেন, ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার সামনে আরও কয়েকশ যাত্রী আছে। জানি না টিকিটে আসন পাবো কি না। তবে আসন না পেলেও দাঁড়ানো টিকিট নিয়েই বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা থাকবে। কারণ আয় কম, বাড়িতে খরচ আছে। এই ট্রেনে কমরেটে যাওয়া যায় তাই লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা।

কমিউটার ট্রেনের কাউন্টার থেকে জানতে চাওয়া হলেও মন্তব্য করতে রাজি হননি কেউ। তবে কাউন্টার থেকে বেরিয়ে মোস্তাফিজ নামে একজন বলেন, কমিউটার ট্রেনের আসন সংখ্যা ২৭০টির মতো। যেখানে ৫০০ থেকে ৭০০ মানুষ টিকিট নিতে আসেন। এর মাঝে বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রী থাকে। কাকে দেবো বা কোথা থেকে দেবো। ট্রেনের টিকিট আগেই শেষ হয়ে যায়, এর মাঝে আমরা চেষ্টা করি সবাইকে টিকিট দেওয়ার।

ইএআর/এসএনআর



from jagonews24.com | rss Feed https://ift.tt/LTC35XG

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.